
নারিনের বোলিংয়ে সুপার ওভারেই ভেঙে পড়ে লখনউ
আইপিএলে এক অবিশ্বাস্য ম্যাচের সাক্ষী থাকল লখনউ সুপার জায়ান্টস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের লড়াই। মূল ম্যাচ টাই হওয়ার পর সুপার ওভারে লখনউ মাত্র ১ রান তুলতে পারে, যা আইপিএল ইতিহাসে সর্বনিম্ন সুপার ওভার স্কোর।
সুনীল নারিন বল হাতে শুরুতেই নিকোলাস পুরানকে বোল্ড করেন। এরপর রিশাভ পান্ত একটি সিঙ্গেল নিলেও এইডেন মার্করাম ডিপে ক্যাচ দেন। ফলে সুপার ওভার প্রায় শুরু হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যায় লখনউর জন্য।
রিংকু সিং শেষ করেন কলকাতার কাজ
২ রানের ছোট লক্ষ্য নিয়ে কলকাতার হয়ে নামেন রোভম্যান পাওয়েল ও রিংকু সিং। চাপ কম ছিল না, কারণ সুপার ওভারে ছোট লক্ষ্যও কখনও কখনও জটিল হয়ে যায়।
তবে রিংকু কোনো সুযোগ রাখেননি। প্রিন্স যাদবের বল পয়েন্ট দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে কলকাতাকে নাটকীয় জয় এনে দেন। নারিনের বোলিংয়ের পর রিংকুর ব্যাটই শেষ কথা বলে।
শেষ ওভারের নাটকে ম্যাচ যায় সুপার ওভারে
মূল ম্যাচের শেষ অংশটাও ছিল রোমাঞ্চে ভরা। শেষ পাঁচ ওভারে লখনউর দরকার ছিল ৬৪ রান। আয়ুশ বাদোনি ও হিম্মত সিং বড় শটে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন।
শেষ ওভারে লখনউর প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। বাই, নো বল, চার ও উইকেটের মধ্যে ম্যাচ বারবার দিক বদলাতে থাকে। শেষ বলে দরকার ছিল ৭ রান। তখন শামি লং অফ দিয়ে ছক্কা মেরে ম্যাচ সুপার ওভারে নিয়ে যান।
রিংকুর ইনিংসে ভর করে আগে লড়াইয়ের পুঁজি পায় কলকাতা
এর আগে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা ৭ উইকেটে ১৫৫ রান করে। দলের হয়ে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন রিংকু সিং। তিনি ৫১ বলে ৮৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।
জবাবে লখনউও ৮ উইকেটে ১৫৫ রান তোলে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন রিশাভ পান্ত। তবে শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচ হাতছাড়া হয় তাদের।
জয়ে পয়েন্ট টেবিলে উঠল কলকাতা
এই ঐতিহাসিক জয়ের ফলে কলকাতা ৫ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার নিচের দিক থেকে উঠে অষ্টম স্থানে পৌঁছেছে। অন্যদিকে লখনউ ৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার শেষে অবস্থান করছে।
ম্যাচটি শুধু ফলের জন্য নয়, আইপিএলের সর্বনিম্ন সুপার ওভার স্কোরের কারণেও দীর্ঘদিন মনে থাকবে।