
প্রিমিয়ার লিগে দীর্ঘ বিরতির পর ম্যানচেস্টার সিটির শুরুর একাদশে ফিরেই নিজের মান দেখালেন ফিল ফোডেন। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ৩-০ জয়ে দুটি গোলে সহায়তা করে কোচ পেপ গুয়ার্দিওলার বিশেষ প্রশংসা পেয়েছেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।
শুরুর একাদশে ফিরেই ম্যাচের চেহারা বদলান ফোডেন
বুধবার ঘরের মাঠে ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপা দৌড়ে চাপ ধরে রাখে ম্যানচেস্টার সিটি। ৩৬ ম্যাচ শেষে ২৩ জয় ও ৮ ড্রয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে এবং আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে দুই পয়েন্টে এনেছে।
এই ম্যাচে গুয়ার্দিওলা আর্লিং হলান্ড, জেরেমি ডোকুসহ নিয়মিত একাদশের ছয়জনকে বেঞ্চে রাখেন। সেই সুযোগে প্রায় দেড় মাস পর লিগে শুরু থেকে খেলার সুযোগ পান ফোডেন।
২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগান। সিটির প্রথম গোলের আগে তার ব্যাকহিল পাস ছিল ম্যাচের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। সেই পাস থেকে ডি-বক্সে বল পেয়ে জোরাল শটে দলকে এগিয়ে দেন অ্যান্টোয়ান সেমেনিও।
দুই অ্যাসিস্টে সিটির আক্রমণকে গতি দেন ইংলিশ মিডফিল্ডার
প্রথম গোলের আট মিনিট পর আবারও ফোডেনের পা থেকে আসে সিটির আক্রমণের পথ। এবার তিনি দারুণ ক্রসে ওমার মার্মুশকে খুঁজে নেন, আর মার্মুশ নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
শেষ দিকে সিটির তৃতীয় গোলটি করেন সাভিনিয়ো। তবে পুরো ম্যাচে আক্রমণের ছন্দ তৈরিতে ফোডেনের ভূমিকা আলাদা করে চোখে পড়ে।
কিছুদিন আগে গুয়ার্দিওলা ফোডেনকে ফুটবল উপভোগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। প্যালেসের বিপক্ষে পারফরম্যান্সের পর কোচ বললেন, এমন গুণমান, সৃজনশীলতা এবং দূরদৃষ্টি বোর্ডে আঁকা যায় না, মিটিং বা ভিডিও দেখেও শেখানো যায় না।
গুয়ার্দিওলা খুশি ফোডেনের সামগ্রিক খেলায়
গুয়ার্দিওলার মতে, ফোডেন খুব কম জায়গার মধ্যেও বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে এবং নতুন কিছু তৈরি করতে জানে। ভালো খেলোয়াড়দের মতোই সে পারফর্ম করার পথ খুঁজে নেয়।
ফোডেন নিজেও ম্যাচ শেষে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, গোলে অবদান রাখা এবং দলকে তিন পয়েন্ট এনে দিতে পারা তার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
মৌসুমের প্রথম ভাগ ভালো কাটলেও পরে ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে জানান তিনি। দলে মানসম্পন্ন খেলোয়াড় বেশি থাকলে জায়গার জন্য লড়াই স্বাভাবিক, তাই ধৈর্য ধরে কাজ করা এবং সুযোগ এলে সেটি কাজে লাগানোই ছিল তার লক্ষ্য।