
বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নেওয়ার পর, বিশেষ করে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাফিনহা। চোটের কারণে দুই ম্যাচে মাঠে না থাকলেও, তিনি রেফারিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন এবং বলেছেন যে এটি ‘ডাকাতি’ ছিল।
রাফিনহার অভিযোগ: দুই লেগে রেফারির ‘অবিশ্বাস্য’ সিদ্ধান্ত
এফসি বার্সেলোনা ৩-২ ব্যবধানে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায় নেওয়ার পর, রাফিনহা অভিযোগ করেন যে রেফারির সিদ্ধান্ত ছিল ‘অবিশ্বাস্য’। তার মতে, কোয়ার্টার ফাইনালের দুই ম্যাচেই রেফারি টার্পিন এবং কোভাকস তাদের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বার্সেলোনাকে ‘লুট’ করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘এটা ছিল ডাকাতি, শুধু এই ম্যাচে নয়, প্রথম লেগেও।’
রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় ক্ষোভ
রাফিনহা আরও বলেন, “রেফারি যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে, তা অবিশ্বাস্য। আমি বুঝতে পারি না কেন বার্সেলোনা জিতবে, এটা নিয়ে এত ভয় কেন? আমরা মাঠে কিছুটা বেশি কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম, কিন্তু যখন বারবার একই ভুল ঘটে, তখন আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত।”
প্রথম লেগে পেনাল্টি দাবি ও দ্বিতীয় লেগের লাল কার্ড
প্রথম লেগে পাউ কুবার্সির লাল কার্ড এবং ফিরতি লেগে এরিক গার্সিয়ার লাল কার্ড নিয়েও রাফিনহা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রেফারি টার্পিন এবং কোভাকসের সিদ্ধান্তকে তিনি ‘অন্যায়’ এবং ‘অবিশ্বাস্য’ বলে মন্তব্য করেছেন।
বার্সেলোনার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ
বার্সেলোনা প্রথম লেগের একটি পেনাল্টি আবেদনকে নিয়ে উয়েফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছিল। কিন্তু তা বাতিল করা হয়। বার্সেলোনা দাবি করেছিল, অ্যাতলেটিকো গোলকিপার হুয়ান মুসো ডি-বক্সে হ্যান্ডবল করেছিলেন, কিন্তু রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেন।
এই ঘটনাগুলি ফুটবল জগতের মধ্যে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং রাফিনহার ক্ষোভ প্রকাশের পরেও বিষয়টি এখনও ঘিরে বিতর্ক চলছে।