মিরপুর টেস্টে নিরাপদ লক্ষ্য নিয়ে সতর্ক মেহেদী হাসান মিরাজ

মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশ এখনই নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭ রান তুলেছে স্বাগতিকরা।

সালমানের নো বল জীবন ম্যাচের গতিপথ বদলায়

বাংলাদেশ আরও বড় লিড নিতে পারত। পাকিস্তান যখন মাত্র ২০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে, তখন তাসকিন আহমেদের বলে শূন্য রানে ক্যাচ দিয়েছিলেন সালমান আলী আগা। বাংলাদেশ উদ্‌যাপন শুরু করলেও আম্পায়ারের নো বলের সংকেতে সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়।

জীবন ফিরে পেয়ে সালমান করেন ৫৪ রান। মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গে তাঁর ১১৯ রানের জুটি পাকিস্তানকে ম্যাচে ফেরায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান খুব বড় হয়নি।

মিরাজের চোখে ম্যাচ এখনো ফিফটি ফিফটি

দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী হাসান মিরাজ স্পষ্ট জানালেন, ম্যাচ এখনো বাংলাদেশের হাতে পুরোপুরি যায়নি। তাঁর মতে, দুই দিন বাকি থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে।

মিরাজ বলেন, মিরপুরে কত রান নিরাপদ, তা আগে থেকে বলা কঠিন। তাই দ্বিতীয় ইনিংসে দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করাই এখন বাংলাদেশের প্রধান কাজ।

তিনি একটি সম্ভাব্য লক্ষ্যও উল্লেখ করেছেন। মিরাজের মতে, এই উইকেটে ২৯০ থেকে ৩০০ রান ভালো স্কোর হতে পারে, কারণ চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে ব্যাটিং আরও কঠিন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

শেষ দুই দিনে উইকেট কঠিন হতে পারে

তৃতীয় দিনের শেষ দিকে মিরপুরের পিচে টার্ন ও বাউন্স দেখা গেছে। প্রথম তিন দিন ব্যাটসম্যানরা তুলনামূলক সুবিধা পেলেও মিরাজ মনে করেন, একই উইকেটে টানা খেলার কারণে শেষ দুই দিনে চ্যালেঞ্জ বাড়বে।

বাংলাদেশ অলরাউন্ডারের ধারণা, পঞ্চম দিনে পাকিস্তান ব্যাট করলে স্বাগতিক বোলাররা সুবিধা পেতে পারে। তবে তার আগে বাংলাদেশকে এমন রান তুলতে হবে, যা বোলাররা রক্ষা করতে পারবেন।

ভুল কম করাই টেস্টে এগিয়ে থাকার শর্ত

পাকিস্তানের ইনিংসে তিনটি শতরানের জুটি হয়েছে। রিজওয়ান ও সালমানের জুটি সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করে বাংলাদেশের ওপর। মিরাজের মতে, সালমানকে নো বলের পর দ্রুত ফেরানো গেলে ম্যাচের অবস্থা ভিন্ন হতে পারত।

তবে তিনি এটাকেই টেস্ট ক্রিকেটের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে দেখছেন। মিরাজ বলেন, এই ফরম্যাটে এমন পরিস্থিতি আসবেই, আর যারা কম ভুল করবে, তারাই শেষ পর্যন্ত এগিয়ে থাকবে।

লেখক সম্পর্কে

১৯৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন রাজেশ কুমার, সাধারণ খেলার ক্ষেত্রে দশকেরও বেশি বিশেষজ্ঞতা সম্পন্ন অভিজ্ঞতা সহ এক পুরস্কৃত প্রাধিকর্তা। ২০০৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খেলার বিজ্ঞানে স্নাতক সমাপ্ত করার পর, কুমার ভারতবর্ষের বিভিন্ন খেলার একাডেমির সাথে সম্পর্কিত হয়েছেন, প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে করে, তিনি তার অভ্যাসে বৈশ্বিক পদ্ধতিগুলি অবলম্ব করেছেন। রাজেশ বর্তমানে সাংবাদিকতায় নিযুক্ত, দৈনন্দিন খেলাধুলা নিয়ে নিবন্ধ লেখেন এবং Betting.BC.Game-এর প্রধান সম্পাদক।

আপনার মন্তব্য ছেড়ে দিন
সবাই আপনার মন্তব্য দেখতে পাবেন