
চাপে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং
বাংলাদেশ ৩১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন। উইকেটে ঘাস ছিল, পাকিস্তানের পেসারদের নিয়েও শঙ্কা ছিল, কিন্তু বাংলাদেশ অধিনায়ক শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেন।
মোহাম্মদ আব্বাসকে চার মেরে তিনি বাউন্ডারির ধারা শুরু করেন। এরপর অন ড্রাইভ, কাভার ড্রাইভ ও পুল শটে দ্রুত চাপ সরিয়ে দেন।
পাকিস্তানের আব্বাস, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলী কেউই তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখতে পারেননি।
মুমিনুলের সঙ্গে ১৭০ রানের জুটি
মুমিনুল হক নাজমুলের আগে ক্রিজে এলেও ফিফটি আগে পান নাজমুল। তিনি ৭১ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন।
নাজমুলের ইতিবাচক ব্যাটিং অন্য প্রান্তে মুমিনুলকেও স্থির হতে সাহায্য করে। মুমিনুল ১০২ বলে ফিফটি করেন।
দুজনের জুটি ১৭০ রানে পৌঁছে বাংলাদেশকে বড় ইনিংসের পথে রাখে। পাকিস্তান পেসে সফল না হয়ে স্পিন আনে, কিন্তু সালমান আগার ওভারেও ছক্কা মারেন নাজমুল।
ফিফটির চেয়ে সেঞ্চুরি বেশি নাজমুলের
নাজমুল ৭১ বলের ফিফটির পর সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে খেলেন আরও ৫৮ বল। আউট হওয়ার আগের বলেই বাউন্ডারি মেরে তিনি শতক পূর্ণ করেন।
টেস্টে ১৪ বার পঞ্চাশ পেরিয়ে নাজমুল এখন ৯টি সেঞ্চুরি করেছেন। তার ফিফটি ৫টি।
শেষ ৮ ইনিংসে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। তাই ফিফটিকে বড় ইনিংসে বদলে দেওয়ার দক্ষতায় তিনি আলাদা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।
সেঞ্চুরির পরই আউট, তবু প্রাপ্য করতালি
সেঞ্চুরির পরের বলেই নাজমুল এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। মাঠের আম্পায়ার প্রথমে আউট দেননি, কিন্তু রিভিউ নিয়ে সিদ্ধান্ত পাল্টায় পাকিস্তান।
ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় দর্শকরা দাঁড়িয়ে করতালি দেন বাংলাদেশ অধিনায়ককে।
চাপের মুখে নেমে সেঞ্চুরি, ১৭০ রানের জুটি এবং রানের গতি ধরে রাখার কারণে নাজমুলের ইনিংসটি বাংলাদেশের জন্য বড় ভিত্তি তৈরি করেছে।