
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ফেরার পরই সাফল্য
চোটের কারণে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি মোস্তাফিজুর রহমান। তবে তৃতীয় এবং সিরিজ নির্ধারণী ওয়ানডেতে দলে ফিরেই প্রভাব ফেলেছেন এই বাঁহাতি পেসার।
নিজের দ্বিতীয় ওভারেই তিনি নিউজিল্যান্ড ওপেনার হেনরি নিকোলসকে ফিরিয়ে দেন। নতুন বলে করা বাউন্সার সামলাতে গিয়ে নিকোলস উইকেটকিপার লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন। এই উইকেট বাংলাদেশকে শুরুতেই বাড়তি আত্মবিশ্বাস এনে দেয়।
শুরুর ধাক্কা সামলে বড় সংগ্রহ গড়েছিল বাংলাদেশ
এর আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল। মাত্র ৩২ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা চাপে পড়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকে দারুণভাবে ইনিংস গড়ে তোলেন নাজমুল হোসেন ও লিটন দাস।
নাজমুল ১১৯ বলে ১০৫ রান করেন, আর লিটন খেলেন ৯১ বলে ৭৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। এই দুই ব্যাটসম্যান চতুর্থ উইকেটে ১৬০ রানের জুটি গড়ে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। তাদের ব্যাটে ভর করেই বাংলাদেশ ২৬৫ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায়।
শেষদিকে কিছুটা ভেঙে পড়ে ইনিংস
নাজমুল ও লিটনের জুটির পর মিরাজ এবং হৃদয় মিলে ষষ্ঠ উইকেটে ৩৫ রানের আরেকটি দরকারি জুটি গড়েন। হৃদয় শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
তবে ইনিংসের শেষ অংশে বাংলাদেশ দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারায়। ৪৭.৫ ওভারের পরের ৬ বলের মধ্যে মাত্র ১ রানে ৩ উইকেট পড়ে যায়। শেষ ১০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান তোলে দল, আর শেষ ৫ ওভারে আসে ৩৪ রান, সঙ্গে হারায় ৩ উইকেট।
মোস্তাফিজের উইকেটে বাড়ল ম্যাচের উত্তেজনা
২৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড শুরুতেই ধাক্কা খেল মোস্তাফিজের হাতে। সিরিজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার এই দ্রুত সাফল্য বাংলাদেশের জন্য বড় ইতিবাচক দিক।
এখন দেখার বিষয়, শুরুতে এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ বাকি ইনিংসেও চাপ ধরে রাখতে পারে কি না।