
এক আসরে এত প্রবীণ ফুটবলার আগে দেখা যায়নি
২০২৬ বিশ্বকাপে ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী ফুটবলারের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৮ জনে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক আসরে এই বয়সী এত খেলোয়াড় আগে কখনো অংশ নেননি।
আরও চমকপ্রদ তথ্য হলো, ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে আগের সব আসর মিলিয়েও ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী খেলোয়াড়ের সংখ্যা ছিল ৮ জন। এবার এক আসরেই সেই সংখ্যার সমান ফুটবলার দেখা যাবে।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ও গ্লোবো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১ হাজার ২৪৮ জন ফুটবলারের তালিকা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানিয়েছে। এবারের আসরে অন্তত ৪০ বছর বয়সী ফুটবলাররা হলেন ক্রেগ গর্ডন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, গিয়ের্মো ওচোয়া, লুকা মদরিচ, এডিন জেকো, ম্যানুয়াল নয়্যার, জোসিমার দিয়াজ ও ফার্নান্দো মুসলেরা।
গোলরক্ষকদের সংখ্যাই বেশি
এই আট ফুটবলারের মধ্যে পাঁচজনই গোলরক্ষক। তারা হলেন গর্ডন, ওচোয়া, নয়্যার, দিয়াজ ও মুসলেরা। এই পাঁচজনের মধ্যে ক্রেগ গর্ডন ও জোসিমার দিয়াজ এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে পারেন।
তালিকায় সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক গর্ডন। ৪৩ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় স্কটল্যান্ডের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবে বিশ্বকাপে নামতে পারেন।
সি গ্রুপে স্কটল্যান্ডের প্রথম ম্যাচ ২৪ জুন ব্রাজিলের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে গর্ডন মাঠে নামলে তিনি এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হবেন।
তবে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়ের রেকর্ড এখনো মিসরের সাবেক গোলরক্ষক হিসাম আল হাদারির দখলে। তিনি ২০১৮ বিশ্বকাপে ৪৫ বছর ১৬১ দিন বয়সে খেলে এই রেকর্ড গড়েছিলেন।
রোনালদো ও ওচোয়ার সামনে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ
এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন পর্তুগালের তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সে তিনি আরও একবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে টুর্নামেন্টে যাচ্ছেন।
রোনালদোর জন্য এটি হবে পর্তুগালের হয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। একইভাবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়াও। তাঁর বয়স এখন ৪০ বছর।
সাধারণত এত বয়সে অনেক ফুটবলারই ইউরোপের বড় লিগের বাইরে খেলেন। তবে এই আটজনের মধ্যে লুকা মদরিচ ও ম্যানুয়াল নয়্যার এখনো ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ক্লাবে আছেন। মদরিচ খেলেন এসি মিলানে, আর নয়্যার বায়ার্ন মিউনিখের গোলরক্ষক।