
রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে এখন সবচেয়ে ব্যয়বহুল ফুটবলার ইয়ান ডিওমান্দে। জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিগ থেকে ১৯ বছর বয়সী আইভোরিয়ান ফরোয়ার্ডকে ১২৫ মিলিয়ন ইউরোর নির্দিষ্ট ট্রান্সফার ফিতে দলে নিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। চুক্তির সঙ্গে থাকা বিভিন্ন বোনাস কার্যকর হলে মোট অঙ্ক বেড়ে ১৪০ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত যেতে পারে।
এই চুক্তির মাধ্যমে রিয়ালের আগের ট্রান্সফার রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেলেন ডিওমান্দে।
বেলিংহ্যাম ও হ্যাজার্ডকে পেছনে ফেললেন ডিওমান্দে
এর আগে ২০২৩ সালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে জুড বেলিংহ্যামকে দলে নিতে রিয়াল মাদ্রিদের মোট খরচ হয়েছিল ১২৭ মিলিয়ন ইউরো। তবে সেই চুক্তিতে নির্দিষ্ট ট্রান্সফার ফি ছিল ১০৩ মিলিয়ন ইউরো এবং বাকি অর্থ ছিল বিভিন্ন পারফরম্যান্সভিত্তিক বোনাসের অংশ।
অন্যদিকে ২০১৯ সালে চেলসি থেকে ১১৫ মিলিয়ন ইউরোর নির্দিষ্ট ফিতে রিয়ালে যোগ দিয়েছিলেন এদেন হ্যাজার্ড। এই তালিকায় এখন তিনি তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।
ডিওমান্দের জন্য রিয়াল মাদ্রিদের ১২৫ মিলিয়ন ইউরোর নিশ্চিত বিনিয়োগ ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ নির্দিষ্ট ট্রান্সফার ফি। বোনাসের শর্ত পূরণ হলে এই চুক্তির মোট মূল্য ১৪০ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছাতে পারে।
রিয়াল মাদ্রিদের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ১০ সাইনিং
১. ইয়ান ডিওমান্দে, আরবি লাইপজিগ, ২০২৬: ১২৫ মিলিয়ন ইউরো, বোনাসসহ সর্বোচ্চ ১৪০ মিলিয়ন ইউরো
২. জুড বেলিংহ্যাম, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, ২০২৩: মোট ১২৭ মিলিয়ন ইউরো, যার মধ্যে ১০৩ মিলিয়ন নির্দিষ্ট ফি
৩. এদেন হ্যাজার্ড, চেলসি, ২০১৯: ১১৫ মিলিয়ন ইউরো
৪. গ্যারেথ বেল, টটেনহ্যাম, ২০১৩: ১০১ মিলিয়ন ইউরো
৫. ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ২০০৯: ৯৪ মিলিয়ন ইউরো
৬. ওরেলিয়াঁ চুয়ামেনি, মোনাকো, ২০২২: ৮০ মিলিয়ন ইউরো
৭. জিনেদিন জিদান, জুভেন্টাস, ২০০১: ৭৭.৫ মিলিয়ন ইউরো
৮. হামেস রদ্রিগেজ, মোনাকো, ২০১৪: ৭৫ মিলিয়ন ইউরো
৯. এন্ড্রিক, পালমেইরাস, ২০২২: ৭২ মিলিয়ন ইউরো
১০. কাকা, এসি মিলান, ২০০৯: ৬৭ মিলিয়ন ইউরো