যশস্বীর হালকা জরিমানায় ক্ষুব্ধ মঞ্জরেকর ও পুজারা, আইসিসির কাছে কঠোর ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে

দ্বিতীয় টেস্টে আউট হওয়ার পর শ্রীলঙ্কার বোলার অসিতা ফার্নান্ডোকে হেলমেট দিয়ে গুঁতো মেরেছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। তাঁকে ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। এই শাস্তিকে কম মনে করছেন সঞ্জয় মঞ্জরেকর ও চেতেশ্বর পুজারা।

সোমবার মাঠে কী ঘটেছিল

গত সোমবার ভারতের ইনিংসের ১৭তম ওভারের শেষ বলে ফার্নান্ডোর ডেলিভারিতে বোল্ড হন যশস্বী। উইকেট পেয়ে ফার্নান্ডোসহ শ্রীলঙ্কার খেলোয়াড়রা উচ্ছ্বসিত হন। ফার্নান্ডোকে তখন উত্তেজিতভাবে কিছু বলতে দেখা যায়।

আউট হয়ে সাজঘরের দিকে যাওয়ার পথে যশস্বী তাঁদের পাশ দিয়েই হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ ফার্নান্ডোর কোনও মন্তব্য বা আচরণে মেজাজ হারান তিনি। পিছন ফিরে শ্রীলঙ্কান বোলারের দিকে এগিয়ে যান। দুজনকে উত্তেজিতভাবে কথা বলতে দেখা যায়। সেই সময়ই যশস্বী মাথা দিয়ে ফার্নান্ডোকে গুঁতো দেন। উত্তেজনা আর বেশিদূর বাড়েনি। শ্রীলঙ্কার অন্য খেলোয়াড়রা পরিস্থিতি সামাল দেন।

কেন শাস্তিকে অপর্যাপ্ত বলছেন সাবেকরা

কম জরিমানায় খুশি নন মঞ্জরেকর। সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটারের কথা, আইসিসির আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। পুজারাও বলেছেন, এ ধরনের দৃশ্য ক্রিকেটের জন্য ভাল উদাহরণ নয়।

বুধবার সামাজিক মাধ্যমে মঞ্জরেকর লেখেন, প্রিয় আইসিসি এবং বিসিসিআই, ভারত এ দলের হয়ে বৈভব আর এখন জয়সওয়াল। এ ধরনের আচরণ এত সহজে ছেড়ে দিলে আপনারাই আবারও এমন ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। খেলার জন্য এবং ওদের ভবিষ্যতের জন্য এটা মোটেই ভাল নয়।

মঞ্জরেকর বৈভব সূর্যবংশীর প্রসঙ্গও টানেন। মাস দুয়েক আগে শ্রীলঙ্কা এ-র বিরুদ্ধে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে আউট হওয়ার পর বৈভব বিপক্ষ খেলোয়াড়দের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। হাতাহাতির উপক্রম হয়। সেই ঘটনায় বৈভবের ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা হয়েছিল।

যশস্বীর শাস্তি মেনে নিতে পারছেন না পুজারাও। ম্যাচ বিশ্লেষণে তিনি বলেন, দৃশ্যটা ভাল ছিল না। ক্রিকেটার হিসেবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ শিখতে হয়। রাগ হতেই পারে। তিনি জানেন, যশস্বী তখন আউট হয়ে হতাশ ছিলেন। প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথা বলার সময় রাগ দেখানোও মেনে নেওয়া যায়। তবে মাঠে এগিয়ে গিয়ে শারীরিক সংঘর্ষ কোনওভাবেই কাম্য নয়।

লেখক সম্পর্কে

১৯৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন রাজেশ কুমার, সাধারণ খেলার ক্ষেত্রে দশকেরও বেশি বিশেষজ্ঞতা সম্পন্ন অভিজ্ঞতা সহ এক পুরস্কৃত প্রাধিকর্তা। ২০০৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খেলার বিজ্ঞানে স্নাতক সমাপ্ত করার পর, কুমার ভারতবর্ষের বিভিন্ন খেলার একাডেমির সাথে সম্পর্কিত হয়েছেন, প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে করে, তিনি তার অভ্যাসে বৈশ্বিক পদ্ধতিগুলি অবলম্ব করেছেন। রাজেশ বর্তমানে সাংবাদিকতায় নিযুক্ত, দৈনন্দিন খেলাধুলা নিয়ে নিবন্ধ লেখেন এবং Betting.BC.Game-এর প্রধান সম্পাদক।

আপনার মন্তব্য ছেড়ে দিন
সবাই আপনার মন্তব্য দেখতে পাবেন