
দেশের ক্রিকেটে বছরের শুরুতেই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া এবং ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ না খেলার সম্ভাবনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি উঠলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর মধ্যে বিসিবি পরিচালক নাজমুল ইসলামের এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব (ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ঘোষণা দেয়। দিনভর নাটকীয়তার পর মধ্যরাতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ক্রিকেটাররা। বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পরিচালকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাজমুল ইসলামকে ইতোমধ্যে বিসিবির সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
কোয়াবের সংবাদ সম্মেলন এবং তামিমের প্রসঙ্গ
এই ঘটনায় আলোচনায় উঠে আসে জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটারের নাম। বৃহস্পতিবার দুপুরে কোয়াবের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস ও নুরুল হাসান সোহান।
অনেকের ধারণা ছিল এই আন্দোলনের পেছনে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের উসকানি রয়েছে। কিন্তু মিঠুন এই গুঞ্জন উড়িয়ে দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মিঠুন স্পষ্ট করে বলেন, কোয়াব শুধু ক্রিকেটারদের স্বার্থে কাজ করে। এর বাইরে দ্বিতীয় কোনো এজেন্ডা নেই।
তিনি জানান, কোয়াবের বর্তমান কমিটি গঠনের সময় ক্রিকেটারদের সংগঠিত করতে তামিম ইকবাল ভূমিকা রেখেছিলেন। কিন্তু এরপর থেকে তিনি সরাসরি যুক্ত নন।
প্রশ্ন করা হলে মিঠুন বলেন, “আমার কাছে মনে হয়, এই প্রশ্নটা তামিম ইকবালকেই করা উচিত। তার সঙ্গে স্পষ্ট করে বিষয়টা ক্লিয়ার করে নিন। কোয়াব গঠনের সময় তার একটা রোল ছিল, এটা আমি স্বীকার করি। কিন্তু এখন আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি কোয়াবের সব সিদ্ধান্ত কোয়াবই নেয়। আমাদের কোনো সিদ্ধান্তে তৃতীয় কোনো ব্যক্তির প্রভাব নেই। প্লেয়ারদের স্বার্থ ছাড়া অন্য কোনো বিষয় এখানে বিবেচনায় আসে না।”