
আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ
বাংলাদেশ যদি এবারের টি২০ বিশ্বকাপ না খেলে তাহলে আর্থিকভাবে বড় ধাক্কা খেতে হবে বিসিবিকে। অংশগ্রহণ ফি বাবদ প্রায় তিন লাখ মার্কিন ডলার পাওয়া যাবে না। সুপার এইটে উঠলে এই অংক দাঁড়াত ৪.৫ লাখ ডলারে।
টুর্নামেন্টের টিভি স্বত্ব ও অন্যান্য রাজস্ব কমলে বার্ষিক অনুদানও কমে যাবে। স্পন্সর কোম্পানিগুলো যারা আইসিসি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ওপর ভিত্তি করে চুক্তি করেছে তাদের কাছ থেকেও কম অর্থ আসবে। ক্রিকেটারদের ম্যাচ সেরা পুরস্কার ও অন্যান্য বোনাসও হাতছাড়া হবে।
ক্রিকেটীয় প্রভাব ও র্যাঙ্কিংয়ের ঝুঁকি
এবারের বিশ্বকাপের সেরা ১০ দল সরাসরি ২০২৮ সালের টি২০ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। বাংলাদেশের বর্তমান র্যাঙ্কিং ৯ নম্বরে। না খেললে পয়েন্ট না পাওয়ায় আফগানিস্তান আয়ারল্যান্ড জিম্বাবুয়ে নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডের মতো দলগুলো সহজেই ওপরে উঠে যেতে পারে।
এতে পরের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ না পেলে বাংলাদেশকে এশিয়া অঞ্চলের বাছাই পর্ব খেলতে হতে পারে। এটি দলের জন্য বড় চাপ তৈরি করবে।
দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ও বড় আসরে ঝুঁকি
সেপ্টেম্বরে ভারতের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চয়তায় পড়তে পারে। আগামী বছর ঢাকায় এশিয়া কাপ আয়োজনও ঝুঁকিতে যেতে পারে যদি ভারতীয় বোর্ড আপত্তি তোলে।
২০২৯ সালে ভারতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশগ্রহণও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের চুক্তি আছে যা অনেক দূরের কথা হলেও সম্পর্কের অবনতি হলে আলোচনায় আসবে।
এছাড়া এ বছর নিউজিল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ সফরের কথা রয়েছে। আইসিসি বোর্ড সভায় তারা সবাই বাংলাদেশের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। কোনো কারণে তারা না এলে দেশের ক্রিকেট গভীর সংকটে পড়বে।
বিশ্বকাপ বয়কটের ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল জিম্বাবুয়ে একবার আসর থেকে বাদ পড়েছিল। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করতে পারে।