সেমিফাইনালে ভারত, সূর্যের প্রশংসায় আবেগঘন সঞ্জু

ইডেনে জয়ের নায়ক সঞ্জু, অধিনায়কের বিশেষ বার্তা

কয়েক দিন আগেও যিনি প্রথম একাদশে নিয়মিত জায়গা পাচ্ছিলেন না, সেই সঞ্জু স্যামসনই ইডেনে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ভারতকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুললেন। সুযোগ পেয়ে ধৈর্য আর আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দিলেন তিনি। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে তাঁর আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্ত ছিল দেখার মতো।

খেলা শেষে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায় পাশাপাশি দাঁড়িয়ে কথা বলছেন সূর্য ও সঞ্জু। সূর্য বলেন, তিনি সব সময় বিশ্বাস করেন যে ভাল মানুষের সঙ্গে ভালই হয়, শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষা দরকার। তাঁর মতে, দলের প্রয়োজনে সঞ্জু নিজের সেরাটা দিয়েছেন।

দলের জন্য খেলার মানসিকতা ও প্রত্যাবর্তনের গল্প

সূর্য জানান, দ্বিতীয় বার সুযোগ পেয়ে সঞ্জু ব্যক্তিগত সাফল্যের কথা ভাবেননি। ম্যাচের আগে আলোচনায় তিনি নাকি বলেছিলেন, দলের প্রয়োজনে কিছু করে দেখাতে হবে। সেই কথাই মাঠে প্রমাণ করেছেন তিনি। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন কঠিন সময়ে।

বিশ্বকাপের আগে সঞ্জুকে ওপেনার হিসেবে ভাবা হলেও প্রস্তুতি সিরিজে খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে জায়গা হারান তিনি। তাঁর বদলে খেলেন ঈশান কিশন। পরে বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার ফর্মহীনতার কারণে আবার সুযোগ পান সঞ্জু। ফিরে এসে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করেন তিনি।

সূর্য আরও বলেন, সঞ্জু বহু উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে গেছেন। নিজের পছন্দের পজিশন হারিয়েছেন, অন্য জায়গায় খেলেছেন, দল থেকেও বাদ পড়েছেন। কিন্তু সাহসী ক্রিকেটাররাই কঠিন ম্যাচ জেতায়, আর সঞ্জু সেটাই করে দেখিয়েছেন। তিনি সঞ্জুর পরিবারকেও শুভেচ্ছা জানান এবং আশা করেন, বাকি ম্যাচগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা থাকবে।

অধিনায়কের এত প্রশংসা শুনে হাসতে হাসতে সঞ্জু তাঁকে জড়িয়ে ধরেন এবং মজা করে বলেন, “এ বার থাম, কাঁদাবি নাকি পাগল।” সূর্যও আবেগ লুকোতে পারেননি। তাঁর কথায় বোঝা যাচ্ছিল, ইনিংসের প্রভাব তখনও গভীরভাবে কাজ করছে।

লেখক সম্পর্কে

১৯৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন রাজেশ কুমার, সাধারণ খেলার ক্ষেত্রে দশকেরও বেশি বিশেষজ্ঞতা সম্পন্ন অভিজ্ঞতা সহ এক পুরস্কৃত প্রাধিকর্তা। ২০০৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খেলার বিজ্ঞানে স্নাতক সমাপ্ত করার পর, কুমার ভারতবর্ষের বিভিন্ন খেলার একাডেমির সাথে সম্পর্কিত হয়েছেন, প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে করে, তিনি তার অভ্যাসে বৈশ্বিক পদ্ধতিগুলি অবলম্ব করেছেন। রাজেশ বর্তমানে সাংবাদিকতায় নিযুক্ত, দৈনন্দিন খেলাধুলা নিয়ে নিবন্ধ লেখেন এবং Betting.BC.Game-এর প্রধান সম্পাদক।

আপনার মন্তব্য ছেড়ে দিন
সবাই আপনার মন্তব্য দেখতে পাবেন