দক্ষিণ আফ্রিকা কানাডাকে ৫৭ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপে দাপট দেখালো

মার্করামের বিধ্বংসী ফিফটি ও শেষের ঝড়ে বিশাল স্কোর

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৩ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তোলে। উদ্বোধনী জুটিতে কুইন্টন ডি কক ও রায়ান রিকেলটন মাত্র ৭ ওভারে ৭০ রান যোগ করেন। ডি কক ২৫ রানে আউট হলে অধিনায়ক এইডেন মার্করাম ক্রিজে এসে ঝড় তোলেন। তিনি মাত্র ২৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত ৩২ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় ৫৯ রান করে বিদায় নেন। মাঝে আনশ প্যাটেলের স্পিনে ১৩৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও শেষ দিকে ডেভিড মিলার ২৩ বলে ৩৯ এবং ট্রিস্টান স্টাবস ১৯ বলে ৩৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৬.৩ ওভারে ৭৫ রান যোগ করে দলকে দুইশো পার করান। কানাডার হয়ে আনশ প্যাটেল ৩১ রানে ৩ উইকেট নেন। এটি টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

এনগিডির তোপে কানাডার টপ অর্ডার ধস

২১৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কানাডার শুরু হয় বিপর্যয় দিয়ে। লুঙ্গি এনগিডি তার প্রথম দুই ওভারেই ৩ উইকেট তুলে নেন। মাত্র ৪৫ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে কানাডা ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে। এরপর নভনীত ঢালিওয়াল ও হার্শ ঠাকের ৬৯ রানের জুটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ঢালিওয়াল ৪৯ বলে ৬৪ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে যথেষ্ট সাপোর্ট পাননি। ঠাকের ২৯ বলে ৩৩ রান করে আউট হলে কানাডার ইনিংসের গতি কমে যায়। শেষ পর্যন্ত তারা ৮ উইকেটে ১৫৬ রানে থামে। এনগিডি ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন। মার্কো জানসেনও ১৮তম ওভারে জোড়া উইকেট নিয়ে কানাডার লড়াই শেষ করে দেন।

গতবারের রানার্সআপের শক্তিশালী শুরু ও টেবিলে অবস্থান

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের ক্ষত ভুলে দক্ষিণ আফ্রিকা এই জয়ের মাধ্যমে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থানের বার্তা দিয়েছে। মার্করামের বিধ্বংসী ব্যাটিং এবং এনগিডির চমৎকার বোলিংয়ে প্রোটিয়ারা মাঠের সব বিভাগে আধিপত্য বিস্তার করে। পূর্ণ ২ পয়েন্ট নিয়ে তারা ‘ডি’ গ্রুপের টেবিলে সুবিধাজনক অবস্থানে উঠে এসেছে। কানাডার হয়ে ঢালিওয়ালের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স প্রশংসনীয় হলেও দলীয়ভাবে তারা দক্ষিণ আফ্রিকার গতির সামনে অসহায় হয়ে পড়ে। এই জয় প্রোটিয়াদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে এবং টুর্নামেন্টে তাদের শিরোপা দাবির পথ আরও সুগম করেছে।

লেখক সম্পর্কে

১৯৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন রাজেশ কুমার, সাধারণ খেলার ক্ষেত্রে দশকেরও বেশি বিশেষজ্ঞতা সম্পন্ন অভিজ্ঞতা সহ এক পুরস্কৃত প্রাধিকর্তা। ২০০৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খেলার বিজ্ঞানে স্নাতক সমাপ্ত করার পর, কুমার ভারতবর্ষের বিভিন্ন খেলার একাডেমির সাথে সম্পর্কিত হয়েছেন, প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে করে, তিনি তার অভ্যাসে বৈশ্বিক পদ্ধতিগুলি অবলম্ব করেছেন। রাজেশ বর্তমানে সাংবাদিকতায় নিযুক্ত, দৈনন্দিন খেলাধুলা নিয়ে নিবন্ধ লেখেন এবং Betting.BC.Game-এর প্রধান সম্পাদক।

আপনার মন্তব্য ছেড়ে দিন
সবাই আপনার মন্তব্য দেখতে পাবেন