
১০ বছর পর ভারতে খেলে বড় হার
২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রথমবার ভারতে খেলতে নেমে জিম্বাবুয়ে বড় ধাক্কা খেল। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১০৭ রানে হারল তারা। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ক্যারিবিয়ানরা ২০ ওভারে ২৫৪ রান তুলল। জিম্বাবুয়ে ১৪৭ রানে অলআউট হয়ে গেল। শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্সের ২১ বলে ৪৩ রানের ঝড়ও হার এড়াতে পারল না।
গোটা দলের মাত্র দুজনের আগে ভারতে খেলার অভিজ্ঞতা ছিল। বাকিদের জন্য নতুন দেশ এবং নতুন ভেন্যু। কিন্তু অধিনায়ক সিকান্দার রাজা এটাকে অজুহাত হিসেবে দেখতে চান না। তিনি বলেন ভেন্যু বা দেশ পরিবর্তন নিয়ে ভাবলে কিছু শিখতে পারব না। গুরুত্বপূর্ণ হলো এই ম্যাচ থেকে মূল্যবান শিক্ষা নেওয়া।
কন্ডিশন ও উইকেটের পরিবর্তন চ্যালেঞ্জ ছিল
গ্রুপ পর্বে জিম্বাবুয়ে শ্রীলঙ্কায় খেলেছে। সেখানকার উইকেট মুম্বাইয়ের চেয়ে আলাদা ছিল। শ্রীলঙ্কার মাঠের সীমানা বড় ছিল, ওয়াংখেড়ের সীমানা তুলনামূলক ছোট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতেই আগের ম্যাচ খেলেছে এবং ওয়াংখেড়ে তাদের তৃতীয় ম্যাচ ছিল। এই ব্যবধান স্পষ্ট ছিল।
রাজা বলেন পিচ নিষ্প্রাণ থাকবে বলে ধারণা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে বল ঘুরতে শুরু করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললাম। এই ম্যাচ অভিজ্ঞতার দিক থেকে দারুণ ছিল। ছেলেরা শিখতে পারবে মন্থর উইকেটে কীভাবে বল করতে হয়, জোরে হিট করা ব্যাটারদের সামনে কীভাবে বল করতে হয়। ছোট মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলের বিপক্ষে খেললে আজকের শিক্ষা কাজে লাগবে।
সামনে ভারতের সঙ্গে কঠিন চ্যালেঞ্জ
পরের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের অপেক্ষায় ভারত। চেন্নাইয়ে সুপার এইটের ম্যাচে ভারতের সঙ্গে খেলবে তারা। প্রথম ম্যাচ হেরে ভারত তেতে আছে। রাজা চান এই হারের শিক্ষা সামনের ম্যাচে কাজে লাগাতে। তিনি বলেন যেখানেই খেলি ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। অজুহাত দেওয়া সাহায্য করবে না।