
নতুন মুখে গড়া দল, অধিনায়ক থাকছেন শাহিন আফ্রিদি
বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বেশ নতুন চেহারার একটি দল ঘোষণা করেছে। এই স্কোয়াডে জায়গা হয়নি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান বাবর আজম ও তরুণ অলরাউন্ডার সাইম আইয়ুবের। নেতৃত্বের বিষয়ে নানা আলোচনা থাকলেও অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
এই দলে এমন ছয়জন ক্রিকেটার রয়েছেন যারা এখনও পর্যন্ত ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক করেননি। তাদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম সাহিবজাদা ফারহান। এছাড়া প্রথমবারের মতো ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছেন আব্দুল সামাদ, মাজ সাদাকাত, মুহাম্মাদ গাজি ঘোরি, সাদ মাসুদ ও শামিল হুসাইন।
এদের মধ্যে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে কেবল আব্দুল সামাদের, যিনি পাকিস্তানের হয়ে পাঁচটি টি টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তরুণ অলরাউন্ডার মাজ সাদাকাতকে পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় প্রতিভাদের একজন হিসেবে ধরা হয়। ২০ বছর বয়সী এই বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার সম্প্রতি বিপিএলে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হয়ে খেলেছেন।
তরুণদের সুযোগ, বাবর ও সাইমের বাদ পড়া নিয়ে আলোচনা
২০ বছর বয়সী উইকেটকিপার ব্যাটার গাজি ঘোরি এখন পর্যন্ত ১৭টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন, যদিও পারফরম্যান্স খুব উল্লেখযোগ্য নয়। অন্যদিকে শামিল হুসাইনকে প্রতিভাবান বাঁহাতি ওপেনার হিসেবে দেখা হয়। মাত্র ১৩টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেই তিনি দুটি সেঞ্চুরি ও তিনটি ফিফটি করেছেন।
নতুনদের মধ্যে সবচেয়ে কৌতূহলের নাম সম্ভবত সাদ মাসুদ। মাত্র তিনটি লিস্ট এ ম্যাচ খেলার পরই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন ২১ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার।
তবে বাবর আজম ও সাইম আইয়ুবের বাদ পড়া অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ওয়ানডেতে দুজনের রেকর্ড বেশ ভালো। বাবরকে তো বরং এই দলের অন্যতম সেরা ওয়ানডে ব্যাটসম্যান বলা হয়। গত নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে তিনি অপরাজিত সেঞ্চুরিও করেছিলেন।
সাইম আইয়ুবও ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচে একটি সেঞ্চুরি ও তিনটি ফিফটি করেছেন। তার গড় প্রায় ৪৭ এবং স্ট্রাইক রেটও শতকের বেশি। ধারণা করা হচ্ছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যর্থতার প্রভাবেই তাদের ওয়ানডে দলে জায়গা হয়নি।
মিরপুরে তিন ম্যাচের সিরিজ, পরে আবার টেস্ট সফর
বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে ১১, ১৩ ও ১৫ মার্চ মিরপুর শের ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই সিরিজের পর পাকিস্তান সুপার লিগে অংশ নেবে দলটি।
এরপর মে মাসে আবার বাংলাদেশ সফরে এসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে পাকিস্তান।