নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ভারত

৯৬ রানের জয়ে ইতিহাস গড়ল সূর্যকুমারদের দল

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে সূর্যকুমার যাদবের দল।

এই জয়ের মাধ্যমে ভারত একাধিক ইতিহাসও গড়েছে। প্রথম দল হিসেবে তারা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখল, একই সঙ্গে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো ট্রফি জিতল এবং টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তৃতীয় শিরোপাও অর্জন করল।

স্যামসনের ঝড়ে বড় সংগ্রহ

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভারত ৫ উইকেটে ২৫৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তোলে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেন সঞ্জু স্যামসন, যা তিনি মাত্র ৪৫ বলে করেন।

অভিষেক শর্মাও ফাইনালে দারুণ ব্যাটিং করেন। তিনি মাত্র ১৮ বলে ফিফটি করেন, যা ছিল এই বিশ্বকাপের দ্রুততম অর্ধশতক। পরে ইশান কিশানও দ্রুত রান তুলে ২৫ বলে ৫৪ রান করেন। শেষ দিকে শিভম দুবের ঝড়ো ব্যাটিং ভারতের স্কোরকে আরও বড় করে তোলে।

স্যামসন নিজের ইনিংসে একাধিক ছক্কা হাঁকিয়ে টুর্নামেন্টে সর্বাধিক ছক্কার রেকর্ডও গড়েন।

বুমরাহর আগুনে বোলিং

২৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় ওভারেই ফিন অ্যালেন আউট হয়ে যান। এরপর ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে কিউইরা।

জাসপ্রিত বুমরাহ দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। তার স্পেলে ম্যাচ পুরোপুরি ভারতের দিকে ঝুঁকে যায়।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে টিম সিফার্ট কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও তিনি ২৬ বলে ৫২ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত পুরো দল ১৫৯ রানে অলআউট হয়ে যায়।

উৎসবে মেতে ওঠে ভারত

শেষ উইকেট পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় খেলোয়াড়রা মাঠে উদযাপনে মেতে ওঠেন। সঞ্জু স্যামসন, বুমরাহ এবং অন্যরা দৌড়ে এসে শিরোপা জয়ের আনন্দ ভাগ করে নেন।

এই জয়ের মাধ্যমে ভারত আবারও প্রমাণ করল যে টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল।

লেখক সম্পর্কে

১৯৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন রাজেশ কুমার, সাধারণ খেলার ক্ষেত্রে দশকেরও বেশি বিশেষজ্ঞতা সম্পন্ন অভিজ্ঞতা সহ এক পুরস্কৃত প্রাধিকর্তা। ২০০৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খেলার বিজ্ঞানে স্নাতক সমাপ্ত করার পর, কুমার ভারতবর্ষের বিভিন্ন খেলার একাডেমির সাথে সম্পর্কিত হয়েছেন, প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন এবং পরামর্শ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে করে, তিনি তার অভ্যাসে বৈশ্বিক পদ্ধতিগুলি অবলম্ব করেছেন। রাজেশ বর্তমানে সাংবাদিকতায় নিযুক্ত, দৈনন্দিন খেলাধুলা নিয়ে নিবন্ধ লেখেন এবং Betting.BC.Game-এর প্রধান সম্পাদক।

আপনার মন্তব্য ছেড়ে দিন
সবাই আপনার মন্তব্য দেখতে পাবেন