
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৫ বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক টুর্নামেন্ট হতে পারত। শুরুতে অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের ‘চ্যাম্পিয়ন হতে চাই’ ঘোষণায় বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ আরও রোমাঞ্চকর মনে হচ্ছিল। তবে এক বছর আগে যেভাবে বাংলাদেশের চার অভিজ্ঞ ক্রিকেটার – সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ, এবং মুশফিকুর রহিমের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হতে পারে, তা এখন আর বাস্তবায়িত হয়নি।
সাকিব ও তামিমের অবসর, মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকের ভবিষ্যৎ
গত এক বছরে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন। সাকিব বর্তমানে রাজনৈতিক কারণে দেশেই নিষিদ্ধ, এবং তামিম আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর ঘোষণা করেছেন। তবে মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক এখনো খেলছেন এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফির অংশ।
মাহমুদউল্লাহ ২০২১ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন, তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে তাঁর অবদান এখনও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, মুশফিকের ফর্ম এই সময়ে কিছুটা দুর্বল হলেও তাঁর অভিজ্ঞতা এখনও দলের জন্য অপরিহার্য।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর তাঁদের ভবিষ্যৎ কি?
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ কি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন, তা নিয়ে বিসিবির মধ্যে আলোচনা চলছে। যেহেতু তাঁরা এখনো বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, তবে বোর্ডের কাছে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাওয়া হবে।
বিসিবির ভাবনা:
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে সসম্মানে বিদায় জানাতে চায়, কারণ তাদের দেশের ক্রিকেটে অনেক অবদান রয়েছে। তবে, বোর্ডও মনে করে নতুনদের জন্য জায়গা করে দেওয়ার সময় এসেছে।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে পারফরম্যান্স
মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ এই টুর্নামেন্টে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট না হলেও, এক ম্যাচ বা টুর্নামেন্ট দিয়ে তাদের কৃতিত্ব মূল্যায়ন করা উচিত নয়। বিসিবি বুঝতে পারে যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিদায় জানানো অবশ্যই সন্মানজনক হতে হবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর দেশে ফিরলে মুশফিক এবং মাহমুদউল্লাহর কাছে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাইবে। বোর্ডের লক্ষ্য হলো নতুনদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সন্মানজনক বিদায় নিশ্চিত করা।